Important Posts

Ads Tips (Blog/Website) Ajker Barta (খবর) Anti-Virus(এন্টিভাইরাস) AutoTunes Page (Facebook) Bangla Abriti (আবৃত্তি) Bangla Kabita (কবিতা) Bangla Story (গল্প) Bengali News (বাংলা সংবাদ) Computer (Bangla) Computer Tips (কম্পিউটার টিপস) Computer Tips & Tricks Computer Tips & Tricks (Oriya) Dharma & Dev-Devi (ধর্ম ও দেব-দেবী) Edius Video Mixing & Song Project Education Electronics (ইলেকট্রনিক্স) Examination & Result (পরীক্ষা ও ফলাফল) Facebook Tips (ফেসবুক টিপস) Food Tips & Cook Tips General Knowledge (জেনে রাখা ভালো) Geography (ভূগোল) Google Adsense Google Adsense (গুগুল এডসেন্স) Google Adsense Tips Hasta Shilpa (হাতের কাজ) Health Health (স্বাস্থ্য) Health Tips (স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস) Internet Tips (Oriya) Internet Tips (ইন্টারনেট টিপস) Job & Earning Tips Mobile Tips (মোবাইল টিপস) Mobile Tips & Tricks My Google (আমার গুগুল) Online Earning (অনলাইন রোজগার) Printer Tips (প্রিন্টার টিপস) Science & Technology (সায়েন্স এণ্ড টেকনোলজি) Smaraniya Ghatana (স্মরণীয় ঘটনা) Swanirbhar Rojgar (স্বনির্ভর রোজগার টিপস) Website Tips (ওয়েবসাইট টিপস)

Can You Have More Sales, Too?
Helping over 120,000+ businesses like yours raise profits and build customer relationships using AWeber's opt-in email marketing software for over 10 years.
Take a Free Test Drive today!
জ্যোতিষালয় **************************************** Email- computer.kedar@gmail.com Contact - 08972702700 **************************************** আপনার সন্তানের বা আপনার জন্মসময় অনুযায়ী ভাগ্য বিদ্যাস্থান কর্মজীবন মাতৃপিতৃসুখ বিবাহজীবন পত্নীসুখ সন্তানসুখ ধনসম্পত্তি বাড়ীঘর বন্ধুস্থান কিরকম হবে, গ্রহদশার সম্পূর্ন নির্দিষ্ট সময়ের ভালোমন্দ সঠিক ফলাফল জ্যোতিষবিদ্যা মতে, বাংলা হিন্দী ও ইংরাজী ভাষায় লিপিবদ্ধ শুদ্ধ জন্মপত্রিকা তৈরী এবং যুবক যুবতীর শুভ বিবাহের মিলন কুন্ডুলী জানার ঊদ্যেশে যোগাযোগ করুন অর্ডার করিতে পারেন। ধন্যবাদ

Tuesday, 21 January 2014

সিনেমা যখন প্রতিবাদের হাতিয়ার


সিনেমা যখন প্রতিবাদের হাতিয়ার

২০ থেকে ২৪ জানুয়ারি কলকাতায় হবে পিপলস ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, জনতার যে উৎসবে দেখানো হবে আম আদমির প্রতিবাদের ছবি৷

জঙ্গল হাসিল করে আবাদ গড়া হয়, আবাদ উজাড় করে আবাসন৷ সভ্যতার আগ্রাসনের তো এইটাই রীতি৷ কিন্তু কখনও কখনও কোনও ব্যক্তিমানুষ এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়৷ লড়াইয়ে হয়তো তার হার-ই হয়, কিন্তু প্রতিবাদটা নজির হয়ে থেকে যায় ইতিহাসে৷ এমনই এক প্রতিবাদের গল্প ‘‘কোয়ার্টার নম্বর ৪/১১৷'' তথ্যচিত্র এবং অন্য ধরণের ছবি করিয়ে, কলকাতার রাণু ঘোষ অনেক বছর ধরেই পরিবেশ সুরক্ষার ইস্যু নিয়ে কথা বলে আসছেন, ছবি করে আসছেন৷ তাঁর বিশেষ দায়বদ্ধতা রয়েছে শহর কলকাতা থেকে দ্রুত বুজে যেতে থাকা, হারিয়ে যেতে থাকা জলাভূমি বা ওয়েটল্যান্ডের সুরক্ষার প্রতি৷

সেই রাণু যখন জানতে পারলেন, দক্ষিণ কলকাতার একটি বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানার বড় জমিতে বিত্তবানদের যে আবাসন তৈরি হচ্ছে, সেখানে পরিবেশ দপ্তরের অনুমতি না নিয়েই বুজিয়ে ফেলা হয়েছে ওই কারখানা এলাকার মধ্যে থাকা বিস্তীর্ণ এক জলাভূমি, সরাসরি লড়াইয়ে নেমে পড়লেন রাণু৷ হাতিয়ার অবশ্যই তাঁর ভিডিও ক্যামেরা৷ কিন্তু কাজ করতে গিয়ে আরও এক লড়াকুর খোঁজ পেয়ে গেলেন তিনি৷ মানুষটি ওই বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানার এক শ্রমিক, কারখানা চত্বরেই কোয়ার্টার নম্বর ৪/১১ –এর বাসিন্দা৷ কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর প্রায় ১৪০০ শ্রমিক মাটি কামড়ে পড়েছিলেন ওখানেই৷ তাঁদের হয়তো ভরসা ছিল, শ্রমিকদরদী বামপন্থী সরকার নিশ্চয়ই তাঁদের একটা ব্যবস্থা করে দেবে৷
[দক্ষিণ কলকাতায় গড়ে ওঠা উঁচু ভবন]

দক্ষিণ কলকাতায় গড়ে ওঠা উঁচু ভবন
ব্যবস্থা হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু সেটা শ্রমিকের স্বার্থে নয়! তখন বামজমানার মদতে ক্রমশ ফুলেফেঁপে ওঠা প্রোমোটারদের স্বার্থে৷ সিদ্ধান্ত হয়েছিল, বন্ধ থাকা কল-কারখানার জমি ছেড়ে দেওয়া হবে আবাসন প্রকল্পের জন্য৷ শুধু প্রোমোটার নয়, ওই সব বন্ধ কারখানার মালিকদেরও যে বিস্তর লাভ হল এতে, সেটা বলাই বাহুল্য৷ দক্ষিণ কলকাতার ওই বন্ধ কারখানার ১৪০০ কর্মহীন শ্রমিককেও নামমাত্র ক্ষতিপূরণ দিয়ে বিদায় করা হল কারখানা চত্বর থেকে৷ কিন্তু বেঁকে বসলেন একজন৷ ওই কোয়ার্টার নম্বর ৪/১১ –এর বাসিন্দা৷ কিন্তু যে সংস্থা ওখানে আবাসন প্রকল্পটি তৈরি করছিল, সেটা আসলে শহরের বাঘা বাঘা সাতজন প্রোমোটার তথা শিল্পপতির এক জোট৷ বেকার শ্রমিকের সাধ্য কি আইনের মারপ্যাঁচে তাঁদের সঙ্গে পেরে ওঠে! কাজেই অসম এই যুদ্ধে হারতে তাঁকে হলই৷ এখন ওই জায়গায় কলকাতার সবথেকে বিলাসবহুল হাই রাইজ টাওয়ার, যার সামনে আলো করে রয়েছে জনপ্রিয় এক শপিং মল৷ দুনিয়াসেরা ব্যান্ডের সম্ভার সেই মলে৷ সেই চোখ ধাঁধানো পরিবেশে নেহাতই বেমানান এক হারতে নারাজ খেটে খাওয়া মানুষের গল্প৷

তবুও রাণু সেলুলয়েডে গল্পটা বলেছেন৷ তাঁর মতই প্রতিবাদের গল্প বলেছেন ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের সহধর্মী এবং সহমর্মী পরিচালক-চিত্রগ্রাহকরা৷ ওঁরা বলছেন, সিনেমা অফ রেজিস্টেন্স৷ প্রতিরোধের সিনেমা৷ গত আট বছর ধরে মূলত উত্তর ভারতের বিভিন্ন অংশে প্রায় ৩৫টি ফিল্ম ফেস্টিভাল করেছেন ওঁরা যেখানে ছোট পরিসরে, মধ্যবিত্ত পল্লি, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে, বন্ধ কল-কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে, নির্মাণ-শ্রমিক, এমনকি গৃহ পরিচারিকাদেরও জন্যেও ছবি দেখানোর ব্যবস্থা হয়েছে৷ অন্য ধারার ছবি, সেহেতু ফিল্ম ডিস্ট্রিবিউটাররা ওঁদের পাত্তা দেয় না৷ অবশ্য তার পরোয়াও ওঁরা করেন না৷ নিজেরাই প্রোজেক্টার নিয়ে, পর্দা খাটিয়ে ছবি দেখান ওঁরা এবং ব্যাপক সাড়াও পান জনতার থেকে!

২০১৩ সালের মে মাস থেকে ফিল্মস ফর রেজিস্টেন্স-এর কলকাতা চ্যাপটারের কাজ শুরু হয়েছে৷ তারই ফসল প্রথম পূর্ণাঙ্গ এক চলচ্চিত্র উৎসব, যাকে ওঁরা বলছেন পিপলস ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল – জনতার চলচ্চিত্র উৎসব৷ আয়োজনে সহযোগী হিসেবে রয়েছে পিপলস ফিল্ম কালেক্টিভ এবং জনসংস্কৃতি মঞ্চ নামে আরও দুই গোষ্ঠী৷ শুধু ছবি দেখান নয়, তার আগে পরে পরিচালকরা হাজির থাকবেন দর্শকদের সঙ্গে সরাসরি মত বিনিময় করতে৷ ছবি বাছাই হয়েছে তিনটি বিভাগের জন্য৷ নব্য ধারার কাহিনীচিত্র, নব্য ধারার তথ্যচিত্র এবং ধ্রুপদী তথ্যচিত্র৷ শেষের বিভাগটিতে দেখার সুযোগ মিলবে “আমার লেনিন”, “ভয়েসেস ফ্রম বালিয়াপাল” বা “মুক্তির গান”-এর মতো সাড়া জাগানো সব তথ্যচিত্র৷ সমস্ত ছবির মূল সুর একটাই – প্রতিবাদ, প্রতিরোধ৷

No comments:

Post a Comment

My Blog MAP