২দিন আগে আর পরে আপনি আমি সবাই মারা যাবো...
তারপরেও আমাদের একেকজনের মৃত্যুর মাঝে পার্থক্য আছে...
চিন্তা করুন কারো একজন একটা ছেলে/মেয়ে আছে...
যদিও সে মারা গেছে কিন্তু তার সেই ছেলে/মেয়ে আল্লাহর প্রতি সঠিক ঈমান রাখে, নিজের দ্বীন ও চরিত্রের হেফাজত করে, ৫ ওয়াক্ত নামায পড়ে, যাকাত, হাজ্জ, রোযা ঠিক মতো করে তার উপরে প্রত্যেক মাসে ৩টা করে নফল রোযা রাখে, প্রতিদিন রাতের বেলা সুরা মুলক না পড়ে ঘুমাতে যায়না, ধনী হোক গরীব নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সামান্য হলেও নিজের জন্য, নিজের মৃত বাবা মায়ের পক্ষ থেকে গোপনে দান-সাদাকা করে, সামর্থ্য অনুযায়ী ভালো কাজের জন্য চেষ্টা করে ও মানুষকে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয়। নিজের বাবা মার জন্য বছরে একবার মৃত্যুবার্ষিকীর সময় (বেদাতী) মিলাদ পড়ে দুয়ানা, প্রত্যেকে নামাযে (সিজদাতে বা সালাম ফিরানোর আগে) অথবা নামাযের শেষের নিয়মিত দুয়া করে রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বা ইয়ানি সাগিরা...হে আল্লাহ আমার মাতা-পিতার প্রতি সেইরকম রহম করো যেইরকম তারা আমার ছোটবেলায় করেছিলো...
আর অন্য আরেকজনের কথা চিন্তা করুন...
সে তার ছেলে-মেয়েকে দ্বীন-ধর্ম কি শিক্ষা দেয় নাই, হালাল হারাম কি তারা বোঝেনা তার মৃত্যুর পর তার ছেলে মেয়েরা আল্লাহর দ্বীনকে ছুঁড়ে ফেলে দিলো (নাউযুবিল্লাহ), হালাল হারাম এইসব বিষয় সে পছন্দ করেনা (কারণ সে প্রচুর পরিমানে হারামের সাথে জড়িত যে এইগুলো ছাড়ার কথা চিন্তাই করতে পারেনা), গান বাজনা তার নিত্য সংগী, সে এইগুলোকে নিজের জীবনের অংশ মনে করে...আর স্বাভাবিক এখনই জেনা ব্যভিচার যত ব্যপক হয়ে যাচ্ছে – জেনা ব্যভিচারকে সে হালাল মনে করে (এতো পরিমানে এইগুলোর সাথে জড়িত যে হালাল/হারামের মাঝে কোনো পার্থক্য নেই), মদ পান করাকে (ড্রিংকস করা) সে ফ্যাশান হিসেবে দেখে...
অথবা গণতান্ত্রিক কুফুরী পার্টি করে হারাম টাকার পাহাড় করেছে, যথেচ্ছ টাকা অপচয় করে কিন্তু কোনোদিন কাউকে টাকা দান করেনা...
দুইজনের আমল নামাতেই কিন্তু তাদের মৃত্যুর পরে লিখা হতে থাকবে...
******************************************
******************************************
******************************************
******************************************
******************************************
******************************************
এমন হতে পারে একজনের ভালো বাড়তে বাড়তে সে নিজে পাপের কারণে কবরে শাস্তি
হচ্ছিলো কিন্তু ছেলে মেয়ের দুয়ার দ্বারা ক্ষমা পেয়ে গেলো (এমনটা সত্যিই
হবে)...আবার আরেকজন নিজে ঈমান নিয়েই মারা গেছিলো...কিন্তু সন্তানকে দ্বীন
না শিক্ষা দেওয়ার কারণে তাদের কুকর্মের শাস্তির একটা অংশ তাদের উপরেও যাবে
যার কারণে জান্নাতের পরিবর্তে জাহান্নামে দেওয়া হবে...
তাই আমি প্রথম আমার নিজেকে ও আপনাদের সকলের কাছেই অনুরোধ করবো...
এই মুহূর্ত থেকে নিজেকে সংশোধন করে নেওয়ার চেষ্টা করুন...
আর স্বপ্ন দেখুন ইসলামী পরিবার গঠন করার জন্য...
ছেলে মেয়েদেরকে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বানাতে পারেন বা না পারেন, অন্তত তাদেরকে দ্বীন শিক্ষা দিবেন...আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের ব্যপারে শিক্ষা দেবেন...
আস্তে আস্তে যখন ইসলাম মানুষের কাছে অপরিচিত হয়ে যাবে, সেই কঠিন ফিতনার যুগে যখন ইসলামের উপর টিকে থাকা হাতে আগুনের একটা টুকরা ধরে রাখার মতো কঠিন হবে, সেই যুগেও তারা হবে দ্বীনের জন্য আদর্শ, তারা নিজেরাও হবে হেদায়েতপ্রাপ্ত আলোকিত মানুষ আর মানুষকেও সেই হেদায়েতের দিকে আহবান করবে।
আল্লাহ আমাদের সকলকে কবুল করে নিন, আমিন।
বিঃদ্রঃ পোস্টে দেওয়া দুয়াটা নেক স্বামী পাওয়ার জন্যও করতে হবে, একই দুয়া নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই।
তারপরেও আমাদের একেকজনের মৃত্যুর মাঝে পার্থক্য আছে...
চিন্তা করুন কারো একজন একটা ছেলে/মেয়ে আছে...
যদিও সে মারা গেছে কিন্তু তার সেই ছেলে/মেয়ে আল্লাহর প্রতি সঠিক ঈমান রাখে, নিজের দ্বীন ও চরিত্রের হেফাজত করে, ৫ ওয়াক্ত নামায পড়ে, যাকাত, হাজ্জ, রোযা ঠিক মতো করে তার উপরে প্রত্যেক মাসে ৩টা করে নফল রোযা রাখে, প্রতিদিন রাতের বেলা সুরা মুলক না পড়ে ঘুমাতে যায়না, ধনী হোক গরীব নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সামান্য হলেও নিজের জন্য, নিজের মৃত বাবা মায়ের পক্ষ থেকে গোপনে দান-সাদাকা করে, সামর্থ্য অনুযায়ী ভালো কাজের জন্য চেষ্টা করে ও মানুষকে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয়। নিজের বাবা মার জন্য বছরে একবার মৃত্যুবার্ষিকীর সময় (বেদাতী) মিলাদ পড়ে দুয়ানা, প্রত্যেকে নামাযে (সিজদাতে বা সালাম ফিরানোর আগে) অথবা নামাযের শেষের নিয়মিত দুয়া করে রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বা ইয়ানি সাগিরা...হে আল্লাহ আমার মাতা-পিতার প্রতি সেইরকম রহম করো যেইরকম তারা আমার ছোটবেলায় করেছিলো...
আর অন্য আরেকজনের কথা চিন্তা করুন...
সে তার ছেলে-মেয়েকে দ্বীন-ধর্ম কি শিক্ষা দেয় নাই, হালাল হারাম কি তারা বোঝেনা তার মৃত্যুর পর তার ছেলে মেয়েরা আল্লাহর দ্বীনকে ছুঁড়ে ফেলে দিলো (নাউযুবিল্লাহ), হালাল হারাম এইসব বিষয় সে পছন্দ করেনা (কারণ সে প্রচুর পরিমানে হারামের সাথে জড়িত যে এইগুলো ছাড়ার কথা চিন্তাই করতে পারেনা), গান বাজনা তার নিত্য সংগী, সে এইগুলোকে নিজের জীবনের অংশ মনে করে...আর স্বাভাবিক এখনই জেনা ব্যভিচার যত ব্যপক হয়ে যাচ্ছে – জেনা ব্যভিচারকে সে হালাল মনে করে (এতো পরিমানে এইগুলোর সাথে জড়িত যে হালাল/হারামের মাঝে কোনো পার্থক্য নেই), মদ পান করাকে (ড্রিংকস করা) সে ফ্যাশান হিসেবে দেখে...
অথবা গণতান্ত্রিক কুফুরী পার্টি করে হারাম টাকার পাহাড় করেছে, যথেচ্ছ টাকা অপচয় করে কিন্তু কোনোদিন কাউকে টাকা দান করেনা...
দুইজনের আমল নামাতেই কিন্তু তাদের মৃত্যুর পরে লিখা হতে থাকবে...
******************************************
******************************************
******************************************
******************************************
******************************************
তাই আমি প্রথম আমার নিজেকে ও আপনাদের সকলের কাছেই অনুরোধ করবো...
এই মুহূর্ত থেকে নিজেকে সংশোধন করে নেওয়ার চেষ্টা করুন...
আর স্বপ্ন দেখুন ইসলামী পরিবার গঠন করার জন্য...
ছেলে মেয়েদেরকে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বানাতে পারেন বা না পারেন, অন্তত তাদেরকে দ্বীন শিক্ষা দিবেন...আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের ব্যপারে শিক্ষা দেবেন...
আস্তে আস্তে যখন ইসলাম মানুষের কাছে অপরিচিত হয়ে যাবে, সেই কঠিন ফিতনার যুগে যখন ইসলামের উপর টিকে থাকা হাতে আগুনের একটা টুকরা ধরে রাখার মতো কঠিন হবে, সেই যুগেও তারা হবে দ্বীনের জন্য আদর্শ, তারা নিজেরাও হবে হেদায়েতপ্রাপ্ত আলোকিত মানুষ আর মানুষকেও সেই হেদায়েতের দিকে আহবান করবে।
আল্লাহ আমাদের সকলকে কবুল করে নিন, আমিন।
বিঃদ্রঃ পোস্টে দেওয়া দুয়াটা নেক স্বামী পাওয়ার জন্যও করতে হবে, একই দুয়া নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই।







No comments:
Post a Comment