Important Posts

Ads Tips (Blog/Website) Ajker Barta (খবর) Anti-Virus(এন্টিভাইরাস) AutoTunes Page (Facebook) Bangla Abriti (আবৃত্তি) Bangla Kabita (কবিতা) Bangla Story (গল্প) Bengali News (বাংলা সংবাদ) Computer (Bangla) Computer Tips (কম্পিউটার টিপস) Computer Tips & Tricks Computer Tips & Tricks (Oriya) Dharma & Dev-Devi (ধর্ম ও দেব-দেবী) Edius Video Mixing & Song Project Education Electronics (ইলেকট্রনিক্স) Examination & Result (পরীক্ষা ও ফলাফল) Facebook Tips (ফেসবুক টিপস) Food Tips & Cook Tips General Knowledge (জেনে রাখা ভালো) Geography (ভূগোল) Google Adsense Google Adsense (গুগুল এডসেন্স) Google Adsense Tips Hasta Shilpa (হাতের কাজ) Health Health (স্বাস্থ্য) Health Tips (স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস) Internet Tips (Oriya) Internet Tips (ইন্টারনেট টিপস) Job & Earning Tips Mobile Tips (মোবাইল টিপস) Mobile Tips & Tricks My Google (আমার গুগুল) Online Earning (অনলাইন রোজগার) Printer Tips (প্রিন্টার টিপস) Science & Technology (সায়েন্স এণ্ড টেকনোলজি) Smaraniya Ghatana (স্মরণীয় ঘটনা) Swanirbhar Rojgar (স্বনির্ভর রোজগার টিপস) Website Tips (ওয়েবসাইট টিপস)

Can You Have More Sales, Too?
Helping over 120,000+ businesses like yours raise profits and build customer relationships using AWeber's opt-in email marketing software for over 10 years.
Take a Free Test Drive today!
জ্যোতিষালয় **************************************** Email- computer.kedar@gmail.com Contact - 08972702700 **************************************** আপনার সন্তানের বা আপনার জন্মসময় অনুযায়ী ভাগ্য বিদ্যাস্থান কর্মজীবন মাতৃপিতৃসুখ বিবাহজীবন পত্নীসুখ সন্তানসুখ ধনসম্পত্তি বাড়ীঘর বন্ধুস্থান কিরকম হবে, গ্রহদশার সম্পূর্ন নির্দিষ্ট সময়ের ভালোমন্দ সঠিক ফলাফল জ্যোতিষবিদ্যা মতে, বাংলা হিন্দী ও ইংরাজী ভাষায় লিপিবদ্ধ শুদ্ধ জন্মপত্রিকা তৈরী এবং যুবক যুবতীর শুভ বিবাহের মিলন কুন্ডুলী জানার ঊদ্যেশে যোগাযোগ করুন অর্ডার করিতে পারেন। ধন্যবাদ

Wednesday, 11 December 2013

54) রাধারাণীর দিব্য জন্মস্থান

রাধারাণীর দিব্য জন্মস্থান

পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের নিত্য লীলাবিলাস স্থান শ্রীবৃন্দাবন। এ স্থানের ধূলিকণাও এত পবিত্র যে স্বয়ং শ্রীব্রহ্মাসহ সকল দেবতারা এই পবিত্র ভূমির ঘাস হয়ে জন্মাতে অভিলাষ করেন। শ্রীবৃন্দাবন ধাম সকলেরই আরাধ্য। কিন্তু কালের প্রভাবে একসময় এই ধাম অবলুপ্ত হলে কলিযুগের পাবনাবতারী শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এই ধামের বহু স্থান উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে তিনি তার প্রিয় ষড় গোস্বামীদের উক্ত ধাম পরিচর্যার দায়িত্ব অর্পন করেন। ষড় গোস্বামীগণও বৃন্দাবনের বহু লুপ্ত স্থান উদ্ধার করেন।

বৃন্দাবনের নিকটবর্তী বর্ষাণা এলাকার অন্তর্গত রাভেল নামক অতি পবিত্র স্থানে বৃন্দাবনেশ্বরী শ্রীমতি রাধারাণী আর্বিভূত হন। শ্রীমতি রাধারাণীর আবির্ভাব সম্বন্ধে যে বর্ণনা শাস্ত্রে রয়েছে, তা হল, একদিন রাজা বৃষভানু যমুনা নদীতে স্নান করতে যান। সেই সময়ে যমুনা নদী বর্ষাণার রাভেল স্থানটির পাশ দিয়ে বয়ে যেত। ঐ স্থান দিয়ে এক কালে যমুনা নদী যে বয়ে যেত তা ভূতত্ত্বগত প্রমাণ রয়েছে। সেই যাই হোক, রাজা বৃষভানু যমুনা নদীতে স্নান করতে গিয়ে দেখলেন সহস্য সূর্যের আলোকের মতো জ্যোতির্ময় এক সোনার পদ্ম ঠিক যমুনা নদীর মাঝখানে ফুটে রয়েছে। আর সেই সোনার পদ্মের মধ্যে রয়েছে একটি ছোট শিশুকন্যা। প্রথমে রাজা বৃষভানু বিস্মিত হলেন। কিন্তু ব্রহ্মাজী তখন সেই স্থানে আর্বিভূত হয়ে রাজা বৃষভানুর বিস্ময়ের নিরসন করলেন। তিনি জানালেন যে রাজা বৃষভানু ও তাঁর পত্নী কীর্তিদা পূর্বজন্মে ভগবান বিষ্ণুর পত্নীকে কন্যারূপে লাভ করার জন্য কঠোর তপস্যা সম্পাদন করেছিলেন। সেই তপশ্চর্যার ফলস্বরূপ এই জন্মে তাঁরা স্বয়ং ভগবানের শক্তি তথা পত্নীকে এইভাবে কন্যারূপে লাভ করেছেন। ব্রহ্মাজীর কথা শুনে রাজা বৃষভানু সেই শিশুকন্যা শ্রীমতি রাধারাণীকে নিজ গৃহে নিয়ে এলেন। কিন্তু দেখা গেল সেই শিশু রাধারাণী কিছুতেই চোখ খুলছেন না। তাঁর চোখ সর্বদা বন্ধ রয়েছে। তবে কি এই শিশুকন্যা অন্ধ ? সকলের এই প্রশ্ন নিরসনের উদ্দেশ্য অবশেষে নারদমুনি রাজা বৃষভানুর সম্মুখে উপস্থিত হয়ে শিশুর এই অন্ধত্ব অবস্থা সত্ত্বেও শিশুর জন্মকালীন সকল ধরনের শুভ উৎসবাদির আয়োজন গৃহে করতে বললেন। নারদমুনীর কথা অনুযায়ী রাজা বৃষ্ণভানু গৃহে উৎসবের আয়োজন করলেন। সেই উৎসবে নন্দ মহারাজ ও শিশু কৃষ্ণসহ সপরিবারে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন। ঐ অনুষ্ঠানে আগমন করে শিশু কৃষ্ণ যখন হামাগুড়ি দিয়ে শিশু রাধারাণীর দিকে এগিয়ে গেলেন, রাধারাণী তখন এক দিব্য সৌরভের ঘ্রাণ লাভ করলেন, আর সেই মুহুর্তে রাধারাণী চোখ খুলে প্রথমে দর্শন করলেন তার নিত্য পতি পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে। আজ থেকে ৫ হাজার বছর পূর্বে বর্ষাণা ক্ষেত্রের রাভেল নামক স্থানে এইসব ঘটনা ঘটেছিল।

এখন রাভেল অত্যন্ত নির্জন এক প্রান্তর। স্বল্প জনসংখ্যার একটি প্রত্যন্ত গ্রাম। তবে এখনও শ্রীমতি রাণারাণীর লীলাস্থলিগুলো বর্তমান। আসুন আমরা চিত্র অনুসারে সেই দিব্য তীর্থস্থান সমূহ দর্শন করি :

১. রাভেলে একটি মাত্র মন্দির রয়েছে। মন্দিরটি লাইরি লাল মন্দির নামে খ্যাত।

২. খুব ছোট কিন্তু খুব সুন্দর শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণের বিগ্রহ এই মন্দিরে অধিষ্ঠিত রয়েছেন। শ্রীকৃষ্ণের প্রপৌত্র বজ্রনাভ এই বিগ্রহ প্রতিষ্টা করেছিলেন। মন্দিরটি সাদামাটা ছিচছাপ ধরণের।

৩. মন্দির দর্শন ও পরিক্রমার পর আপনি মন্দিরটির প্রশস্ত ছাদে উঠে একদা যমুনা বয়ে যাওয়ার চিহৃ সুস্পষ্ট দেখতে পাবেন। হাজার বছর আগে এখানেই বয়ে যাওয়া যমুনা থেকেই কীর্তিদা ও বৃষভানু রাজা রাধারাণীকে প্রাপ্ত হয়েছিলেন। ভক্তের দৃষ্টিতে এই নির্জন রাভেলের মন্দির প্রাঙ্গন অনবদ্য।

৪. মন্দিরের বিপরীত দিকে রয়েছে রাধারাণীর উদ্যান। এই স্থানে শ্রীমতি রাধারাণী বিভিন্ন লীলাবিলাস সম্পাদন করেন।

৫. এই উদ্যানে প্রায় অঙ্গাঙ্গিভাবে রয়েছে একটি সাদা রঙের ও একটি কালো রঙের দুটি বৃক্ষ, যা রাধাকৃষ্ণ বৃক্ষ নামে পরিচিত।

বর্ষাণায় অনেকেই গমন করেন। কিন্তু রাধারাণীর মূল এই জন্মক্ষেত্র রাভেল অনেকের কাছেই হয়তো এখনো অজানা। এখনো অতি সাধারণ গ্রামটিতে শ্রীমতি রাধারাণীর দিব্য উপস্থিতি অনুভব করা যায়। তাই আপনি যদি শ্রীমতি রাধারাণীর কৃপা লাভ করতে চান তাহলে বৃন্দাবন পরিক্রমায় এই অপ্রাকৃত ধাম রাভেল দর্শন করে আসতে পারেন।

No comments:

Post a Comment

My Blog MAP